Wednesday, June 19, 2024

এন্টনি লরেন্ট ল্যাভোশিয়ে ( ১৭৪৩-১৭৯৪)

 এন্টনি লরেন্ট ল্যাভোশিয়ে ( ১৭৪৩-১৭৯৪) 

অঁতোয়ান-লোরঁ দ্য লাভোয়াজিয়ে (ফরাসি ভাষায়: Antoine-Laurent de Lavoisier); ২৬ আগস্ট ১৭৪৩ – ৮ মে ১৭৯৪;বা অ্যান্তনি ল্যাভয়সিয়ে ছিলেন একজন ফরাসি অভিজাত এবং রসায়নবিদ। তিনি আঠারো শতকের রসায়ন বিপ্লবের একজন কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে তার বড়ো প্রভাব আছে। তাকে প্রায়ই "আধুনিক রসায়নের জনক" হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। 

রসায়নে অবদান

এটা সাধারণভাবে স্বীকৃত যে রসায়নবিদ্যায় লাভোয়াজিয়ের শ্রেষ্ঠ অবদানগুলির পেছনে মূল কারণ হচ্ছে তিনি রসায়নকে একটি গুণগত (qualitative) বিজ্ঞান থেকে পরিমাণগত (quantitative) বিজ্ঞানে রূপান্তরিত করেন। লাভোয়াজিয়ে যে আবিষ্কারটির জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত, সেটি হলো দহন বিক্রিয়ায় অক্সিজেনের ভূমিকা নির্ধারণ। তিনিই অক্সিজেন (১৭৭৮) এবং হাইড্রোজেন (১৭৮৩) শনাক্ত ও নামকরণ করেন এবং ফ্লজিস্টন তত্ত্বের বিরোধিতা করেন। তিনি পরিমাপের মেট্রিক পদ্ধতি সৃষ্টিতে সহায়তা করেন। তিনিই সর্বপ্রথম মৌলসমূহের একটি বিস্তৃত পর্যায় সারণি নির্মাণ করেন। এছাড়া তিনি রাসায়নিক পদার্থের নামকরণের নীতিগুলির সংস্কার সাধনে সাহায্য করেন। ১৭৮৭ সালে তিনি সিলিকনের অস্তিত্ব নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেন।[৫] তিনিই প্রথম গন্ধক (সালফারকে) যৌগ নয়, বরং একটি মৌলিক পদার্থ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।[৬] তিনি আবিষ্কার করেন যে, যদিও পদার্থ তার আকৃতি বা গঠন পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু তার ভর সবসময় একই থাকে

অভিজাত হিসেবে ভূমিকা

লাভোয়াজিয়ে ফ্রান্সের বেশ কিছু অভিজাত পরিষদের ক্ষমতাধর সদস্য ছিলেন। তিনি "ফের্ম জেনেরাল" নামক সংস্থার প্রশাসক ছিলেন, কিন্তু এ সংস্থাটি "অঁসিয়াঁ রেজিম" বা ফ্রান্সের তৎকালীন রাজতন্ত্রের সবচেয়ে ঘৃণ্য একটি অংশ ছিল, কেননা এটি সরকার থেকে অনেক বেশি লাভ নিত। এর চুক্তিগুলি ছিল অত্যন্ত গোপন এবং এর অস্ত্রধারী দালালরা খুবই জোরজবরদস্তি চালাত।[৭] এই সমস্ত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড লাভোয়াজিয়ের বৈজ্ঞানিক গবেষণার অর্থসংস্থানে সাহায্য করত। ফরাসি বিপ্লবের চরম পর্যায়ে জঁ-পল মারা তাকে ভেজাল তামাক বিক্রির দায়ে অভিযুক্ত করেন, এবং মারা-র মারা যাবার এক বছর পরেই লাভোয়াজিয়েকে বিচার করে গিলোটিনের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

বক্সাইট

বক্সাইট 

বক্সাইট হতে অ্যালুমিনিয়াম তৈরি করা হয় । এক খনি হতে উত্তোলন করা হয়।

উইকিপিডিয়া লিংক:

https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F

Tuesday, June 18, 2024

সীসা (Lead)

সীসা (Lead)

সীসা হল একটি মৌলিক পদার্থ যার রাসায়নিক সংকেত Pb এবং পরমানবিক সংখ্যা ৮২। সীসা নরম ধাতু যা ছুরির সাহায্যে কাটা যায়। এটি ঈষৎ নীলাভ ধূসর বর্ণের ধাতু যা কাগজের উপর ঘষলে কালো দাগ কাটে। সীসা কম সক্রিয় ধাতু এবং সক্রিয়তা ক্রমে এর অবস্থান হাইড্রোজেনের ঠিক উপরে।

সীসা

সীসা ইমারত নির্মানে, সীসা-অম্ল ব্যাটারী, গুলি(বুলেট), বিকিরন ঢাল, ওজন ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। সকল স্থায়ী মৌলিক পদার্থের মধ্যে সীসার রয়েছে সর্বোচ্চ পারমাণবিক সংখ্যা। যদিও পরবর্তী সর্বোচ্চ পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌল বিসমাথের (Bi) অর্ধ জীবন সীসার চেয়ে অনেক বেশি তার পরও এটাকে স্থায়ী হিসেবে ধরা যায়।


Thursday, June 13, 2024

নাইট্রোজেন (Nitrozen)

 নাইট্রোজেন একটি মৌল বা মৌলিক পদার্থ যার বাংলা নাম যবক্ষারজান। লিকুইড নাইট্রোজেনের তাপমাত্রা মাইনাস ১৯৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস (–195⁰) । এই মৌলিক পদার্থের প্রতীক N  পারমাণবিক সংখ্যা ৭।, বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন স্বাভাবিক অবস্থায় বর্ণহীন, গন্ধহীন ও স্বাদবিহীন। নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় ধরনের দ্বিপরমাণুক গ্যাস। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আয়তনের হিসাবে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০৯ শতাংশ।এর যোজনী ৩,৫(উদাহরণ N3H[৩])। যোজনী ইলেকট্রন ৫৷

নাইট্রোজেন প্রথম আবিষ্কার করেন রাদারফোর্ড ১৭৭২ সালে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে স্কটিশ পদার্থবিদ ড্যানিয়েল রাদারফোর্ড এটিকে বায়ু থেকে আলাদা করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি এর নাম দেন নক্সাস এয়ার বা ফিক্সড এয়ার[৪][৫] রাদারফোর্ড বুঝতে পারেন যে এটি বাতাসের একটি উপাদান এবং এটি দহন বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

নাইট্রোজেন একটি অধাতু, যার তড়িৎ ঋণাত্মকতা ৩.০৪।[৬] নাইট্রোজেন পরমাণুর বহিস্থ কক্ষপথে ৫টি ইলেক্ট্রন বিদ্যমান এ কারণে অধিকাংশ যৌগে এটি ত্রিযোজী। নাট্রোজেন অণুতে (N
2
) বিদ্যমান ত্রিবন্ধন শক্তিশালী বন্ধনসমুহের মধ্যে একটি। ফলে (N
2
) অণুকে অন্যান্য যৌগে পরিণত করা বেশ কষ্টসাধ্য এবং অন্যান্য নাইট্রোজেনের বিভিন্ন যৌগ থেকে N
2
 উৎপাদন সহজসাধ্য। এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ৭৭ K (−১৯৫.৭৯ °C) নাট্রোজেন ঘনীভূত হলে তরলে রূপ পরিগ্রহণ করে এবং ৬৩ K (−২১০.০১ °C) তাপমাত্রায় কঠিন স্ফটিকে পরিণত হয়।[৭]

: 15 সেকেন্ড।

অতি উচ্চ চাপ (১.১ মিলিয়ন বায়ুচাপে) এবং উচ্চ তাপমাত্রায় (২০০০ K) নাইট্রোজেন পলিমারকরণ প্রকৃয়ায় একক বন্ধনবিশিষ্ট ঘনকআকৃতির গশে স্ফটিকের পরিগ্রহ করে। তখন একে হীরার মতো দেখায়। এটি তখন হীরার মতোই শক্ত সমযোজী বন্ধন যুক্ত। এ কারণে একে নাইট্রোজেন ডায়মন্ড বলা হয়ে থাকে।[৮]

যৌগসমূহ[সম্পাদনা]

নাইট্রোজেনের প্রধান হাইড্রাইড হল অ্যামোনিয়া (NH3); আয়নিত অবস্থায় অ্যামোনিয়া মূলত অ্যামোনিয়ামরুপে বিদ্যমান থাকে। হাইড্রাজিন (N2H4) হল নাইট্রোজেনের অপর হাইড্রাইড যা সব চাইতে বেশি ব্যবহৃত হয়। অ্যামোনিয়া পানির চেয়ে ছয় গুন বেশি ক্ষারীয়।

রাসায়নিক বিক্রিয়া[সম্পাদনা]

নাইট্রোজেন গ্লো

সাধারণ অবস্থায় নাইট্রোজেন তেমন কোন বিক্রিয়া দেখায় না, এটি কার্যত একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো আচরণ করে। প্রকৃতপক্ষে নাইট্রোজেনের অণুতে দুটি নাইট্রোজেন পরমাণুর মধ্যে ত্রিবন্ধন অত্যন্ত শক্তিশালী,তাই এর বন্ধন বিয়োজন এনথ্যালপির মান উচ্চ (941.4 kJ/mol)।তবে উচ্চ তাপমাত্রার শর্তে ইহা সক্রিয় ধাতু,অধাতু এবং অ্যালুমিনা,ক্যালসিয়াম কার্বাইড প্রভৃতি যৌগের সঙ্গে বিক্রিয়া করে।

ব্যবহার[সম্পাদনা]

গ্যাসীয় নাট্রোজেন[সম্পাদনা]

নাইট্রোজেনের বহুবিধ ব্যবহার আছে। নিষ্ক্রীয় বিধায় এটি বাতাসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয় যেখানে জারণ বিক্রিয়া এড়ানো প্রয়োজন। শস্যাগারে শস্য মজুদ রাখতে,ভেসেলে,সিল করা প্যাকেটের মধ্যে নাইট্রোজেন গ্যাসের পূর্ণ থাকে।

তরল নাইট্রোজেন[সম্পাদনা]

ড্যানিয়েল রাদারফোর্ড,নাইট্রোজেনের আবিষ্কারক

ড্রাই আইসের মত তরল নাইট্রোজেনের প্রধান ব্যবহার হিমায়ক হিসেবে।

রুপা (Silver)

 রুপা (Silver):

পিতল

 পিতল: 

পিতল হচ্ছে দস্তা (Zinc) ২০% এবং তামা (Copper) ৮০% এর সংমিশ্রণে তৈরী একটি মিশ্র ধাতু। 

কাঁসা

কাঁসা:

কাঁসা হচ্ছে রাং/টিন (Tin) এবং তামা (Copper) এর সংমিশ্রণে তৈরী একটি মিশ্র ধাতু । 

এন্টনি লরেন্ট ল্যাভোশিয়ে ( ১৭৪৩-১৭৯৪)

  এন্টনি লরেন্ট ল্যাভোশিয়ে ( ১৭৪৩-১৭৯৪)  অঁতোয়ান-লোরঁ দ্য লাভোয়াজিয়ে  (ফরাসি ভাষায়: Antoine-Laurent de Lavoisier); ২৬ আগস্ট ১৭৪৩ – ৮ মে...